অহনা

অহনা

  • লেখক: মেথিউ সরোজ
  • ভাষা: বাংলা
  • বিভাগ: বাংলা
  • মূল্য: ৪০০ /=   ৪৯ /=

Product Summery

সাহিত্যের বড় মানুষদের মতে উপন্যাস হচ্ছে কোনো মহাকাব্যের গদ্যরূপ। আমাদের বায়ান্নর একুশের পূর্বাপর সব ঘটনাই মহাকাব্যিক। ‘অহনা’ শিরোনামের এ উপন্যাসে সেই মহাকাব্যের প্রধানতম বার্তাটিকে কেন্দ্র করে একটা স্বপ্নের ছবি আঁকার চেষ্টা করা হয়েছে। হতে পারে সেই ছবি আঁকার চেষ্টা অর্বাচীনের মতো কোনো দুঃসাহসে হাত দেওয়া। কারণ বিদগ্ধজনরা এ বিষয়ে লিখেছেন কবিতায়, উপন্যাসে, প্রবন্ধে। সেই সমৃদ্ধ আঙিনার পাশে দাঁড়িয়ে অনেকটা ধৃষ্টতা দেখিয়েই কিছুটা জাদু-বাস্তবতা, কিছুটা স্বপ্ন-বাস্তবতার মিশ্রণে এক কঠিন পদ্ধতি অবলম্বন করে এ উপন্যাস লেখা হয়েছে। দুঃসাহস হয়তো বেশি দেখানো হলো। কাহিনি এগিয়েছে স্বচ্ছ, দুর্গন্ধহীন আর দুঃশব্দহীন এক প্রত্যুষে ডাক্তার অনিন্দ্যর সাথে ধবধবে এক বৃদ্ধের দেখা হওয়াকে কেন্দ্র করে। দেখা হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে অনিন্দ্য অনেকটা মন্ত্রাবিষ্ট হয়ে জানতে পারে প্রত্যুষ মানে অহনা এবং বাঙালি জাতির জন্য এই প্রত্যুষ বা অহনা হচ্ছে বায়ান্নর একুশ। বৃদ্ধের কথায় সে আরো জানতে পারে, বিমূর্ত ওই অহনার মতো মূর্তিমান একজন অহনার সাথে তার পরিচয় হবে, বন্ধুত্ব হবে। সেই মূর্তিমান অহনার সাথেও ধবধবে বৃদ্ধ স্বপ্নে দেখা দেন। সব কিছু মিলিয়ে ধবধবে বৃদ্ধের অনুপ্রেরণায় অনিন্দ্য-অহনা মিলে একুশ উদ্যাপনের এক মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করে বস্তিবাসী শিশু-কিশোর ও খেটে খাওয়া কিছু মানুষকে নিয়ে। এ কাজে সাহায্যকারী হিসেবে কাজ করে ডাক্তার অনিন্দ্যর গ্রামের স্কুলজীবনের সহপাঠী রিকশাওয়ালা মানিকÑযাঁর জীবনকে লায়লার উপাখ্যান কাঁদিয়েছে, হাসিয়েছে; কাজ করেছে ঢাকার এক রিকশাওয়ালা ইয়াকুব ভাই এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সব কিছু জাদুর মতো ঘটতে থাকে এবং সব ঘটনা বাঙালি জাতির জন্য সোনালি স্বপ্নের কথা বলে। একসময় সিঁড়ির বন্ধুত্বের ধাপ ছাড়িয়ে অনেক ওপরে মোহময় এক পাদপীঠে দাঁড়ায় অহনা আর অনিন্দ্য। এটি আমার লেখা তৃতীয় উপন্যাস। আমার সব লেখার কাজে নিয়মিত ও প্রত্যক্ষভাবে পরামর্শ দিয়েছেন, উৎসাহ জুগিয়েছেন আমার সুপ্রিয় বন্ধু-সহকর্মী অর্থনীতির প্রফেসর মো. আসাদুজ্জামান, বর্তমানে বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ; বিএম কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব আকতার উদ্দীন, সহকারী অধ্যাপক জনাব এম এম তারিকুজ্জামান। তাঁদের কাছে আমার ঋণ পরিশোধের নয়। লেখাটি কম্পোজ করার কাজে নীলরং সিস্টেমস্-এর চেয়ারম্যান জনাব মো: আবদুল হাই আন্তরিক ও মনোযোগী তত্ত্বাবধান দিয়ে আমাকে অশেষ কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ করেছেন। অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই চমন প্রকাশনার স্বত্বাধিকারী জনাব এনাম রেজাকে, যিনি এই লেখা প্রকাশের দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করেছেন।

Tab Article

সাহিত্যের বড় মানুষদের মতে উপন্যাস হচ্ছে কোনো মহাকাব্যের গদ্যরূপ। আমাদের বায়ান্নর একুশের পূর্বাপর সব ঘটনাই মহাকাব্যিক। ‘অহনা’ শিরোনামের এ উপন্যাসে সেই মহাকাব্যের প্রধানতম বার্তাটিকে কেন্দ্র করে একটা স্বপ্নের ছবি আঁকার চেষ্টা করা হয়েছে। হতে পারে সেই ছবি আঁকার চেষ্টা অর্বাচীনের মতো কোনো দুঃসাহসে হাত দেওয়া। কারণ বিদগ্ধজনরা এ বিষয়ে লিখেছেন কবিতায়, উপন্যাসে, প্রবন্ধে। সেই সমৃদ্ধ আঙিনার পাশে দাঁড়িয়ে অনেকটা ধৃষ্টতা দেখিয়েই কিছুটা জাদু-বাস্তবতা, কিছুটা স্বপ্ন-বাস্তবতার মিশ্রণে এক কঠিন পদ্ধতি অবলম্বন করে এ উপন্যাস লেখা হয়েছে। দুঃসাহস হয়তো বেশি দেখানো হলো। 

কাহিনি এগিয়েছে স্বচ্ছ, দুর্গন্ধহীন আর দুঃশব্দহীন এক প্রত্যুষে ডাক্তার অনিন্দ্যর সাথে ধবধবে এক বৃদ্ধের দেখা হওয়াকে কেন্দ্র করে। দেখা হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে অনিন্দ্য অনেকটা মন্ত্রাবিষ্ট হয়ে জানতে পারে প্রত্যুষ মানে অহনা এবং বাঙালি জাতির জন্য এই প্রত্যুষ বা অহনা হচ্ছে বায়ান্নর একুশ। বৃদ্ধের কথায় সে আরো জানতে পারে, বিমূর্ত ওই অহনার মতো মূর্তিমান একজন অহনার সাথে তার পরিচয় হবে, বন্ধুত্ব হবে। সেই মূর্তিমান অহনার সাথেও ধবধবে বৃদ্ধ স্বপ্নে দেখা দেন।

সব কিছু মিলিয়ে ধবধবে বৃদ্ধের অনুপ্রেরণায় অনিন্দ্য-অহনা মিলে একুশ উদ্যাপনের এক মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করে বস্তিবাসী শিশু-কিশোর ও খেটে খাওয়া কিছু মানুষকে নিয়ে। এ কাজে সাহায্যকারী হিসেবে কাজ করে ডাক্তার অনিন্দ্যর গ্রামের স্কুলজীবনের সহপাঠী রিকশাওয়ালা মানিকÑযাঁর জীবনকে লায়লার উপাখ্যান কাঁদিয়েছে, হাসিয়েছে; কাজ করেছে ঢাকার এক রিকশাওয়ালা ইয়াকুব ভাই এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সব কিছু জাদুর মতো ঘটতে থাকে এবং সব ঘটনা বাঙালি জাতির জন্য সোনালি স্বপ্নের কথা বলে। 

একসময় সিঁড়ির বন্ধুত্বের ধাপ ছাড়িয়ে অনেক ওপরে মোহময় এক পাদপীঠে দাঁড়ায় অহনা আর অনিন্দ্য। 

এটি আমার লেখা তৃতীয় উপন্যাস। আমার সব লেখার কাজে নিয়মিত ও প্রত্যক্ষভাবে পরামর্শ দিয়েছেন, উৎসাহ জুগিয়েছেন আমার সুপ্রিয় বন্ধু-সহকর্মী অর্থনীতির প্রফেসর মো. আসাদুজ্জামান, বর্তমানে বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ; বিএম কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব আকতার উদ্দীন, সহকারী অধ্যাপক জনাব এম এম তারিকুজ্জামান। তাঁদের কাছে আমার ঋণ পরিশোধের নয়। 

লেখাটি কম্পোজ করার কাজে নীলরং সিস্টেমস্-এর চেয়ারম্যান জনাব মো: আবদুল হাই আন্তরিক ও মনোযোগী তত্ত্বাবধান দিয়ে আমাকে অশেষ কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ করেছেন। 

অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই চমন প্রকাশনার স্বত্বাধিকারী জনাব এনাম রেজাকে, যিনি এই লেখা প্রকাশের দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করেছেন। 

 

Tab Article

মেথিউ সরোজ