

Mojaru

সকাল ৯টা। স্কুলের গেটের সামনে ছোট্ট আয়ান মায়ের হাত শক্ত করে ধরে আছে। চারপাশে নতুন মুখ, নতুন ক্লাসরুম, নতুন টিচার। কেউ হাসছে, কেউ খেলছে, কেউ আবার মায়ের আঁচল ধরে কাঁদছে। সবকিছু দেখে আয়ান ঘাবড়ে গেল। সে বাসায় ফিরে যেতে চাইল। মা অনেক বুঝিয়ে শুনিয়ে তাকে ক্লাসে দিয়ে এলেন, কিন্তু ক্লাসের নতুন পরিবেশে সে একদমই মানিয়ে নিতে পারল না। প্রতিদিনই সে কান্নাকাটি করে আর ম্যাডাম স্কুল থেকে আয়ানের মাকে ফোন করে জানান।
প্রথমদিকে প্রায় প্রতিটা শিশুরই স্কুলে ভর্তি হলে এই সমস্যা হয়। বাড়ির চেনা পরিবেশ থেকে হুট করে স্কুলের নতুন মানুষ, নতুন নিয়ম কানুন তার মধ্যে Anxiety তৈরি করে। আর এজন্যেই তাকে স্কুলের জন্যে প্রস্তুত করে নিতে নেয়া প্রয়োজন। প্রি-স্কুল (Pre-school) এর মাধ্যমে এই কাজটা চমৎকারভাবে করা যায়।
এই ব্লগে আমরা সহজভাবে জানব প্রি-স্কুল কী, কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ, Pre-school Readiness বলতে কী বোঝায় এবং শিশুকে প্রি-স্কুলে দেওয়ার আগে কোন বিষয়গুলো জানা জরুরি।

প্রথাগত স্কুলে বাচ্চাকে বসিয়ে পড়া মুখস্থ করানো হয়, হোমওয়ার্ক দেয়া হয়, ইত্যাদি। কিন্তু প্রি-স্কুলে শেখার শুরু হয় খেলা, গল্প, গান, ছবি আঁকা, ব্লক সাজানো, প্রশ্ন করা, এমন নানারকম একটিভিটি দিয়ে।
প্রি স্কুলের কার্যক্রম মূলত ৩ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য। এই বয়সে শিশুর কৌতূহল খুব বেশি থাকে। সে সবকিছু ছুঁয়ে দেখতে চায়, প্রশ্ন করতে চায়, নিজে নিজে চেষ্টা করতে চায়। প্রি-স্কুল সেই স্বাভাবিক কৌতূহলকেই শেখার সুযোগে পরিণত করে।
প্রি-স্কুলে শিশুরা হাতে-কলমে শেখার সুযোগ পায়। রং মেলানো, ব্লক দিয়ে আকার বানানো, ছবি দেখে গল্প বলা, বীজ রোপণ করা বা কোনো জিনিস পানিতে ভাসে না ডোবে তা পরীক্ষা করা। এসব ছোট ছোট কাজের মাধ্যমে তারা প্রশ্ন করতে চিন্তা করতে এবং সমস্যার সমাধান খুঁজতে শেখে।
প্রি-স্কুলে দলগত কাজকেও অনেক গুরুত্ব দিয়ে শেখানো হয়। শিশুরা অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলতে শেখে, খেলনা শেয়ার করতে শেখে, নিজের পালা আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে শেখে। এইসব ছোট ছোট অভ্যাস থেকেই তার সামাজিক ও আবেগীয় বিকাশ শুরু হয়।
প্রি-স্কুলে গান, ছড়া, গল্প, ছবি দেখা এবং কথোপকথনের মাধ্যমে শিশুর ভাষা ও প্রাথমিক সাক্ষরতার ভিত্তি তৈরি হয়। সংখ্যা, রং, আকার, প্রকৃতি, বিজ্ঞান ও দৈনন্দিন জীবনের সহজ ধারণাগুলোও খেলার মাধ্যমে শেখানো হয়।
শুধু মানসিক বিকাশ নয়, প্রি-স্কুল শিশুর শারীরিক বিকাশেও সাহায্য করে। দৌড়ানো, লাফানো, বল খেলা, কাগজ কাটা, রং করা বা ছোট জিনিস সাজানোর মতো কাজগুলো তার বড় ও ছোট পেশির দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে।
এককথায়, প্রি-স্কুলের মূল উদ্দেশ্য হলো শিশুর মনে শেখার আনন্দ তৈরি করা। যেন সে ভয় পেয়ে নয়, কৌতূহল নিয়ে শেখে; চাপ নিয়ে নয়, আত্মবিশ্বাস নিয়ে স্কুলজীবনের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারে।

প্রি-স্কুল শিশুর শিক্ষাজীবনের বাধ্যতামূলক অংশ নয়। অর্থাৎ, প্রি-স্কুলে না গেলেই যে শিশু পিছিয়ে পড়বে, বিষয়টি এমন নয়। তবে সঠিক বয়সে, সঠিক পরিবেশে এবং শিশুর প্রস্তুতি বুঝে প্রি-স্কুল শুরু করলে এটি তার শেখা, আচরণ, আত্মবিশ্বাস ও সামাজিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বাড়িতে শিশু পরিচিত রুটিন এবং পরিচিত পরিবেশে থাকে। কিন্তু স্কুলে গেলে তাকে নতুন মানুষ, নতুন নিয়ম, নতুন সময়সূচি এবং নতুন শিশুদের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়। এই পরিবর্তন অনেক শিশুর জন্য শুরুতে কঠিন হতে পারে। প্রি-স্কুল সেই পরিবর্তনটাকে ধীরে ধীরে সহজ করে দেয়।
প্রি-স্কুলে শিশু প্রথমবারের মতো একটি নির্দিষ্ট রুটিনের মধ্যে থাকতে শেখে। কখন গল্প শোনার সময়, কখন খেলাধুলার সময়, কখন হাত ধোয়ার সময়, কখন টিফিন খাওয়ার সময়, এসব ছোট ছোট রুটিন তার মধ্যে নিয়ম মানার অভ্যাস তৈরি করে। পরবর্তী সময়ে Kindergarten বা মূল স্কুলজীবনে এই অভ্যাস তাকে অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্য দেয়।
এছাড়া প্রি-স্কুল শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করে। নিজের ব্যাগ গুছিয়ে রাখা, টিচারের কথা অনুযায়ী কাজ করা ইত্যাদি তার মধ্যে “আমি পারি” অনুভূতি তৈরি হয়। এই আত্মবিশ্বাসই ধীরে ধীরে তাকে নতুন পরিবেশে সাহসী করে তোলে।
প্রি-স্কুলের আরেকটি বড় সুবিধা হলো এর মাধ্যমে শিশুর সামাজিক দক্ষতা তৈরি হয়। এখানে শিশু অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলতে শেখে, খেলনা শেয়ার করতে শেখে, নিজের পালা আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে শেখে এবং অন্যের অনুভূতিকে গুরুত্ব দিতে বোঝে। এগুলো বই পড়ে শেখানো যায় না। আপনার সন্তান এসব সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্রি-স্কুল শিশুদের kindergarten বা পরবর্তী স্কুলজীবনের জন্য কোমলভাবে প্রস্তুত করে। সরাসরি বড় ক্লাসরুমে গিয়ে ভয় পাওয়ার বদলে সে ধীরে ধীরে ক্লাসরুমের কাঠামো, শিক্ষক, বন্ধু, নিয়ম এবং শেখার পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হয়ে যায়।
তাই শিশুকে প্রি-স্কুলে দেবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে শুধু বয়স নয়, তার Pre-school Readiness-ও দেখতে হবে। সে কি কিছু সময় বাবা-মা ছাড়া থাকতে পারে? নিজের প্রয়োজন বলতে পারে? ছোট নির্দেশনা মানতে পারে? অন্য শিশুদের সঙ্গে মিশতে আগ্রহী? অল্প সময় মনোযোগ ধরে রাখতে পারে?
Pre-school Readiness সম্পর্কে বিস্তারিত বুঝতে আমাদের এই ব্লগটি পড়ুন।

অনেকেই প্রি-স্কুল নির্বাচন করতে হলে স্কুলের ভবন, সাজসজ্জা বা নাম দেখেন। এগুলো অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, তবে একটি ভালো প্রি-স্কুল নির্বাচন করতে হলে আসলে দেখতে হবে সেখানে শিশুরা কতটা নিরাপদ। দেখতে হবে তারা কতটা আনন্দ আর যত্নের মধ্যে থাকতে পারবে।
মনে রাখতে হবে, প্রি-স্কুল শুধু পড়াশোনার জায়গা নয়। প্রি-স্কুলের মাধ্যমে একজন শিশু সামাজিক মানুষ হয়ে উঠতে শিখবে। প্রি-স্কুল বাছাইয়ের সময় শুধু “কী শেখানো হয়” এর বদলে “কীভাবে শেখানো হয়” এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রি-স্কুল বাছাইয়ের ক্ষেত্রে যা যা করতে পারেন,
ভর্তি করার আগে সম্ভব হলে স্কুলটি সশরীরে গিয়ে দেখুন। ক্লাসরুমের পরিবেশটা কি শিশুবান্ধব? শিশুদের বসার জায়গা, খেলনার ব্যবস্থা, রং, আলো-বাতাস, দেয়ালের কাজ, বই ও learning materials সবকিছু কি শিশুর বয়সের সঙ্গে মানানসই? এসব খেয়াল রাখতে হবে।
যেসব শিশু ক্লাস করছে, তাদের দেখুন। তারা কি চুপচাপ বসে আছে, নাকি আনন্দ নিয়ে ক্লাস করছে? শিক্ষক কি শুধু নির্দেশ দিচ্ছেন, নাকি শিশুদের সঙ্গে কথা বলছেন, হাসছেন, শুনছেন এবং উৎসাহ দিচ্ছেন? এসব থেকে স্কুলের পরিবেশ সম্পর্কে অনেকটা ধারণা পাওয়া যায়।
প্রি-স্কুলে শিক্ষকের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই বয়সের শিশুদের শেখাতে দরকার ধৈর্য, কোমল ব্যবহার, ভালোবাসা এবং শিশুর মন বোঝার ক্ষমতা।
শিক্ষকরা শিশুদের সঙ্গে কীভাবে কথা বলেন, শিশুর ভুল হলে কীভাবে সামলান, কেউ কাঁদলে কীভাবে শান্ত করেন, কেউ নির্দেশনা না মানলে কীভাবে বোঝান এসব বিষয় খুব মনোযোগ দিয়ে দেখুন। ভালো প্রি-স্কুলে শিক্ষক শিশুকে ভয় দেখিয়ে নয়, বরং উৎসাহ দিয়ে শেখান।
একটি ভালো প্রি-স্কুলে শিশুকে শুধু বই মুখস্থ করানো হয় না। সেখানে গান, গল্প, খেলা, ছবি আঁকা, ব্লক সাজানো, hands-on activities, group work এবং প্রশ্ন করার সুযোগ থাকে।
জেনে নিন, স্কুলটি কি Play-based learning অনুসরণ করে? শিশুরা কি শুধু worksheet করে, নাকি খেলতে খেলতে language, numbers, colors, shapes, social skills এবং problem-solving শেখে? এই বয়সে শিশুর জন্য শেখা আনন্দময় হওয়া জরুরি। চাপ দিয়ে শেখানো হলে শিশু শেখার আগ্রহ হারাতে পারে। তারা কোন মেথড ব্যবহার করছে? তারা কি মন্টেসরি, জলি ফোনিক্স, কেমব্রিজ কারিকুলাম ব্যবহার করে?
প্রি-স্কুলে শিশু কয়েক ঘণ্টা বাবা-মা ছাড়া থাকে। তাই নিরাপত্তা এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ। স্কুলের প্রবেশপথ, ক্লাসরুম, বাথরুম, খেলার জায়গা, সিঁড়ি, জানালা, খেলনা এসবকিছু শিশুর জন্য নিরাপদ কি না দেখে নিন। পরিচ্ছন্নতাও খুব জরুরি। বাথরুম পরিষ্কার কি না, হাত ধোয়ার ব্যবস্থা আছে কি না, খেলনা ও ক্লাসরুম নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় কি না, অসুস্থ শিশুদের ক্ষেত্রে কী নিয়ম আছে, এসব বিষয় আগে থেকেই জেনে নেওয়া ভালো।
শিশু প্রি-স্কুলে শুধু পড়াশোনা শেখে না, সে আচরণও শেখে। তাই স্কুলটি শিশুদের কী ধরনের মূল্যবোধ শেখায়, সেটি জানা জরুরি।তারা কি শিশুদের শেয়ার করা, অপেক্ষা করা, অন্যের কথা শোনা, ধন্যবাদ বলা, দুঃখিত বলা, সহযোগিতা করা এসব সামাজিক আচরণ শেখায়? কোনো শিশু ভুল করলে তাকে অপমান না করে কীভাবে বোঝানো হয়? স্কুলের সংস্কৃতি যদি কোমল, সম্মানজনক এবং শিশুকেন্দ্রিক হয়, তাহলে শিশু সেখানে বেশি নিরাপদ বোধ করে।
একটি ভালো প্রি-স্কুল শুধু শিশুর সঙ্গে কাজ করে না; অভিভাবকের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখে। তাই জেনে নিন, স্কুল থেকে শিশুর অগ্রগতি সম্পর্কে অভিভাবককে কীভাবে জানানো হয়।
শিশু ক্লাসে কেমন করছে, কার সঙ্গে মিশছে, কোনো সমস্যা হচ্ছে কি না, নতুন কী শিখছে এসব বিষয়ে নিয়মিত feedback পাওয়া জরুরি। এতে অভিভাবকও বুঝতে পারেন, বাসায় শিশুকে কীভাবে সাহায্য করবেন।
স্কুল দেখতে গেলে একটি ছোট চেকলিস্ট নিয়ে যেতে পারেন। এতে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে
চেকলিস্টে রাখতে পারেন:
শেষ পর্যন্ত মনে রাখতে হবে, সবচেয়ে সুন্দর ভবন বা সবচেয়ে বেশি বই মানেই ভালো প্রি-স্কুল নয়। একটি ভালো প্রি-স্কুল হলো এমন জায়গা, যেখানে শিশু নিরাপদ বোধ করে, আনন্দ নিয়ে শেখে, নিজের কথা বলতে পারে এবং ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে।
১। প্রি-স্কুলে কত বয়স হলে ভর্তি হতে পারবে?
সাধারণত ৩ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের প্রি-স্কুলে ভর্তি করা হয়। তবে কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান ২.৫ বছর বয়স থেকেও শিশুদের গ্রহণ করে। আপনার এলাকার নিয়ম বা প্রতিষ্ঠানের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে এই বয়সের কিছুটা তারতম্য হতে পারে।
২। যদি আমার শিশু পটি-ট্রেইনড (Potty-trained) না হয়?
কিছু প্রি-স্কুলে শিশুকে অবশ্যই পটি-ট্রেইনড হওয়ার শর্ত থাকে, আবার অনেক ক্ষেত্রে তারা নমনীয়তা দেখায়। আপনার সন্তানকে ভর্তি করার আগে ওই নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পলিসি বা নিয়ম সম্পর্কে জেনে নেয়া ভালো।
৩। প্রি-স্কুলের সময়সীমা কতক্ষণ?
পরিবারের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রি-স্কুলের সময় ভিন্ন ভিন্ন হয়। যেমন হাফ-ডে (অর্ধবেলা), ফুল-ডে (পুরোবেলা) কিংবা দীর্ঘ সময় দেখভালের (Extended care) ব্যবস্থা থাকে। ভর্তির সময় তাদের কাছে বিকল্পগুলো সম্পর্কে জেনে নিন।
৪। আমি কি ক্লাসরুমে সন্তানের সাথে থাকতে পারব?
সাধারণত দীর্ঘ সময় ক্লাসরুমে থাকার অনুমতি দেওয়া হয় না। তবে অনেক স্কুল শিশুকে নতুন পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে শুরুতে অল্প সময়ের জন্য মা-বাবাকে সাথে থাকার সুযোগ দেয় (Gradual transition)। ড্রপ-অফের সময় কিছুক্ষণ সাথে থেকে বাচ্চাকে আশ্বস্ত করে বিদায় জানানো যেতে পারে, যাতে সে ভয় না পায়। তবে ধীরে ধীরে এই সময় কমিয়ে আনতে হয়, যাতে শিশু স্বাবলম্বী হতে শেখে। বিস্তারিত নিয়মাবলীর জন্য স্কুলের কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলা ভালো।
৫। অনলাইনে প্রি-স্কুল কোর্স করা যায় কি?
হ্যাঁ, এখন ঘরে বসেও অনলাইনে প্রি-স্কুল কোর্স করা যায়। বিশেষ করে যেসব শিশু এখনো সরাসরি স্কুলে যাওয়ার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত নয়, তাদের জন্য অনলাইন প্রি-স্কুল কোর্স খুবই ভালো অপশন হতে পারে। এতে শিশু ঘরের নিরাপদ ও পরিচিত পরিবেশে থেকে ধীরে ধীরে শেখার রুটিন, শিক্ষককে অনুসরণ করা, ছোট ছোট নির্দেশনা মানা, ছড়া, গল্প, রং, সংখ্যা, ভাষা ও সামাজিক আচরণের মতো বিষয়গুলোর সাথে পরিচিত হতে পারে।
আপনার সন্তান প্রি-স্কুলের জন্যে কতটা প্রস্তুত এটা জানতে আমাদের Early Learning Assessment এর জন্যে রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন।
আর অনলাইন প্রি-স্কুলিং এর অভিজ্ঞতা লাভ করতে যুক্ত হতে পারেন Pre-school at home (ঘরে বসে প্রি-স্কুলিং) ফেসবুক গ্রুপে।
আপনার সন্তানের শেখার যাত্রা আনন্দময় হোক।